Skip to Content

Thursday, November 15th, 2018

কার্যালয় ঘিরে চলছে দল, কোন্দল নেই

Be First!
by September 9, 2015 রাজনীতি

ঝিনাইদহে জেলা বিএনপির রাজনীতি ও কর্মসূচি পালন চলছে দলীয় কার্যালয়কেন্দ্রিক। দলে কোন্দল না থাকলেও ক্ষোভ আছে। ক্ষোভের কারণে বেশ কয়েকজন নেতা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন।
দলীয় নেতারা বলেছেন, মামলায় গ্রেপ্তার ও হামলার ভয় এবং পুলিশের বাধায় তাঁরা কার্যালয়কেন্দ্রিক হয়ে পড়েছেন। তাঁদের দাবি, দল সংগঠিত ও শক্তিশালী।
শহরের অগ্নিবীণা সড়কে জেলা বিএনপির কার্যালয়। সেখানে নেতা-কর্মীরা যান এবং দলীয় কর্মসূচিও এই কার্যালয়ে পালিত হচ্ছে। নেতারা বলেন, গ্রেপ্তার-আতঙ্কে অনেক নেতা-কর্মী গা ঢাকা দিয়েছেন। অনেকে কারাগারে আছেন।
জেলা বিএনপির সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছে ২০০৬ সালে। ওই সম্মেলনে দলের খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মসিউর রহমান সভাপতি ও ঝিনাইদহ পৌরসভার সাবেক মেয়র আবদুল মালেক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ওই কমিটিই এখনো রয়েছে।
দলীয় নেতারা বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁরা সম্মেলন করতে পারছেন না। সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক বলেন, তাঁরা কার্যালয়ে কর্মসূচি পালন করেন। প্রতিদিন শতাধিক নেতা-কর্মী কার্যালয়ে একত্র হন। এভাবে তাঁরা দল চালাচ্ছেন। কার্যালয়েও হামলা হয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে দল গোছানোর কাজ চলছে। যেকোনো সময় সম্মেলন হবে।
জেলা বিএনপির একাধিক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, জেলা কমিটিতে বর্তমানে কোন্দল নেই, তবে ক্ষোভ আছে। দলের কয়েকজন ত্যাগী নেতাকে কিছু নেতা-কর্মীর একগুঁয়েমির কারণে ছিটকে পড়তে হয়েছে। একসময়ের প্রভাবশালী নেতা জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি মীর রবিউল ইসলাম, সদর থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলাউল হক, জেলা বিএনপির নেতা রেজাউল ইসলাম, জেলা শ্রমিক দলের সাবেক সভাপতি আ ক ম মসিউর রহমানসহ বেশ কয়েকজন নেতা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। জেলার বর্তমান নেতাদের সঙ্গে মতবিরোধই তাঁদের নিষ্ক্রিয় থাকার কারণ।
অবশ্য জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক সাংসদ মসিউর রহমান বলেন, দলে নেতৃত্ব নিয়ে প্রতিযোগিতা থাকতে পারে। তবে বিরোধ নেই। তিনি বলেন, যাঁরা দলে নিষ্ক্রিয় তাঁরা সক্রিয় হোন, এটা সব সময় তাঁরা আশা করেন। তবে অনেকে আছেন, যাঁদের বয়স হয়েছে। এ ছাড়া নানা কারণে কেউ কেউ সক্রিয় হতে চান না। কাউকে কখনো দল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, দল বর্তমানে মাঠপর্যায়ে খুব শক্তিশালী। কিন্তু কোনো কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হয় না। ঘরের মধ্যে কর্মসূচি পালন করতে গেলেও বাধা আসে।
দলীয় সূত্র বলেছে, জেলায় কোন্দল না থাকলেও কয়েকটি উপজেলায় কোন্দল রয়েছে। শৈলকুপায় দুটি পক্ষ, কালীগঞ্জেও দুটি পক্ষ রয়েছে। কোটচাঁদপুর-মহেশপুরে আছে তিনটি পক্ষ। জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, এটা বড় দলে থাকতেই পারে।
দলীয় সূত্র বলেছে, জেলা যুবদলের ১১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির বয়স হয়েছে পাঁচ বছর। আহ্বায়ক রওশন বিন কদর কিছুটা নিষ্ক্রিয় থাকায় দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান হাবিব। জেলা ছাত্রদলের কর্মকাণ্ডও চলছে সাত সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে। আরিফুল ইসলাম আহ্বায়কের দায়িত্বে আছেন চার বছর। তিনি বলেন, হামলা ও মামলার কারণে সম্মেলন করা যাচ্ছে না। আগামী দুই মাসের মধ্যে সম্মেলন শেষ করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।

Previous
Next

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

>
Facebook