Skip to Content

Friday, December 14th, 2018
মুজিব আদর্শ বুকে ধারণ করে জনগণের সেবা করতে চায় এ্যাড. জামাল হোসেন

মুজিব আদর্শ বুকে ধারণ করে জনগণের সেবা করতে চায় এ্যাড. জামাল হোসেন

Be First!

মুজিব আদর্শ বুকে ধারন করে ফরিদপুর-২ আসন (নগরকান্দা-সালথা) জনগনের সেবা করতে চায় সময়ের সাহসী তরুন নেতা এ্যাড. জামাল হোসেন মিয়া। ছাত্র জীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ও মুজিব আদর্শে উজ্জবিত যুব সমাজের কিংবদন্তী এ তরুন নেতা। মুজিবীয় অন্ধ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়েই তিনি ছাত্র আওয়ামী রাজনীতির সাথে থেকে নগরকান্দা-সালথার মানুষের জন্য কাজ করে আসছেন। নগরকান্দা-সালথার মানুষের কাছে নিজেকে খ্যতিমান নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে নিয়েছেন। বয়সের ভারে হয়তো একদিন রাজনীতি থেকে অবসরে যাবেন এ আসনের আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতারা। তখন এ আসনে আওয়ামী লীগের হাল ধরার মত সব কিছুই অর্জন করে নিয়েছেন তিনি। বিশেষ করে নতুন প্রজন্ম, কিশোর ও তরুনদের মাঝে নিজেকে কিংবদন্তী হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন। এ জন্য এ আসনের ভবিষ্যৎ কান্ডারী জামাল ছাড়া আর কেউ নেই বলে মনে করেন অনেকে। যার কারণে এখন জামালকে নিয়ে নানা স্বপ্নে বিভর জনগন।

এই প্রতিবেদকের সাথে একান্ত আলাপকালে নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার সম্পর্কে নানা কথা বলেন জামাল হোসেন মিয়া। নগরকান্দা-সালথার মানুষের সেবায় নিজেকে উজাড় করে দিতে চান তিনি।

জাতির জনকের আদর্শ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ছাত্র জীবন থেকে কাজ করে আসছে তরুন এ নেতা। আপানমস্তকে খাটি এই মানুষটি বঙ্গবন্ধুর এক নির্ভেজাল সৈনিক। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও শিক্ষা বুকে লালন করে বড় হওয়া বিশিষ্ট এ তরুন নেতা, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের দেশ সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে নগরকান্দা-সালথা এলাকার মানুষের সাথে গড়ে তুলেছেন নারীর সম্পর্ক। এ আঞ্চলের গরীব-দু:খি খেটে খাওয়া অসহায়-স্বম্বলহীন মানুষের মাঝে আবির্ভুত হয়েছেন মহান ত্রাতা হিসাবে। তাইতো ঢাকার রাজনীতিতে সারাক্ষন ব্যস্ত থাকার পরেও এলাকার প্রাকৃতিক দুর্যোগে, উৎসব পার্বনে, অসহায় দু:স্থ্যদের প্রতি বাড়িয়ে দেন সাহয্যের হাত। এলাকার মসজিদ, মাদ্রাসা, মুন্দিরসহ এমন কোথাও নেই তার সহানুভবতার ছোঁয়া। এতোসব করার কারনেই জামাল হোসেন আজ নগরকান্দা-সালথার মানুষের হয়ে উঠেছে জীবন্তকিংবদন্তী, খ্যতি পেয়েছেন দানবীর হিসাবে। আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক তৈরীর করার জন্য এলাকার মানুষের সুখে-দু:খে পাশে থেকে নিরালসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। জনস্বর্থে অক্লান্ত পরিশ্রম, সততা ও উন্নয়ন মুলক কর্মকান্ডের সহযোগিতা করার জন্য জামালের প্রতি মানুষ এখন সন্তষ্ট। যে কারণে ক্রমে ক্রমে আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক এখন উন্নতির দিকে ঝুক যাচ্ছে।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে নতুন মুখ জামাল তার নিজ নির্বাচনী এলাকা মাতিয়ে তুলেছেন তিনি। যুব সমাজের ঝোক তার দিকে- আস্থায় নিয়েছেন মুরব্বীরাও। নির্বাচনী এলাকায় রব উঠেছে জামালে দুলছে ফরিদপুর-২ আসন। রাজনীতির ময়দানে যেমন তুখোড় তিনি-তেমনি তুমুল জনসেবাতে। দিনের পর দিন ঘুরে বেড়াচ্ছেন নগরকান্দা-সালথার গ্রামে গ্রামে। জামাল হোসেন এবার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চান ফরিদপুর -২ আসন থেকে।

প্রায় শতভাগ নৌকার ভোটের এলাকা নগরকান্দার উপজেলার তালমা ইউনিয়নের কদমতলী গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মিয়া পরিবারের সন্তান জামাল। পুরো এলাকা জুড়ে বৃটিশ যুগ থেকে সমাজ সেবক পরিচিতি পাওয়ায়, তামলা ইউনিয়নের ৫ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি, উপজেলা ঘাতক দালাল নির্মুল কমিটির বর্তমান সাধারন সম্পাদক ও তালমা নাজিমদ্দীন উচ্চ-বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি, যুদ্ধকালীন কমান্ডর শহিদ মিয়া পুত্র তিনি। সে কারনেই জামালের অস্থি-মজ্জায় সমাজ সেবার স্বভাব। তিনি বিপদে আপদে মানুষের পাশে দাড়াঁন-হাত বাড়ান। জামালের ভাই কামাল হোসেনও জেলা পরিষদের সদস্য ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা।
ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জামালের অভিষেক ঘটে স্কুলের গন্ডি পের’নোর আগেই। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারন করেই তার বেড়ে ওঠা। রাজেন্দ্র কলেজ (রুকসুর) নির্বাচনে ছাত্রলীগ থেকে ১৯৯৬ সালে এজিএস, ২০০০ সালে জিএস নির্বাচিত হন। ২০০১ সালে রাজেন্দ্র কলেজের ভিপি প্রার্থী ছিলেন তিনি। ২০০১ সাল থেকে জেলা কয়েক বছর জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৫ সালে ছাত্রলীগের সম্মেলনের সময় জেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এরআগে নগরকান্দা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। স্কুল জীবনে তালমা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতিও ছিলেন জামাল। বর্তমানে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, নগরকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন-সাধারন সম্পাদক, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন পালন করছেন।

রাজনীতিতে যখন মেধাবী তরুণদের আহ্বান আসছে- মেধাশূন্যতার হাত থেকে রাজনীতি বাঁচানোর উদ্যোগ নিয়ে এগুচ্ছে স্বয়ং আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা, ঠিক সেই সময়ে আগামী সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নের প্রত্যাশায় মাঠে ময়দানে ছুটে বেড়াচ্ছেন এক মেধাবী তরুণ। জামাল হোসেন এক বুদ্ধিদীপ্ত সাহসী তরুন নেতা। মাঠে ময়দানে জনতার সাথে মিশে যেতে পারেন তাদের আপনজন হয়ে। অন্তরে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারন করা জামাল একজন সফল ব্যবসায়ী। এই মেধাদীপ্ত তরুন মানুষের জন্য কাজ করেন, নগরকান্দা-সালথা এলাকায় গেলেই পাওয়া যায় তার হাতের ছোয়া। তিনি চান এলাকায় তৈরি হোক আলোকিত মানুষ। মাদকের হিং¯্র ছোবল যাতে পরিবারগুলোকে ক্ষতবিক্ষত করতে না পারে সে জন্য নিয়মিত এলাকায় মাদক বিরোধী সমাবেশ করেন তিনি। বর্তমান ডিজিটাল যুগে এলাকার ছেলে মেয়েরা যদি পিছিয়ে থাকে তারা ছিটকে পড়বে চাকুরীসহ নানা প্রতিযোগিতা থেকে সে কারনে এলাকায় নিজের টাকায় কম্পিউটার প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করেছেন জামাল।

তারুণ্যদীপ্ত-গতিময় মেধাবী, শিক্ষিত আধুনিক মানসের রাজনীতিক জামাল হোসেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নতুন মুখ। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন ফরিদপুর-২ আসন থেকে।

জামালের সততার কাছে সব অপকর্ম ও অনৈতিক কর্মকান্ড হার মানিয়ে অনেক দুরে চলে যাওয়ায় অল্প দিনেই তিনি জনগনের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। আগামী নির্বাচনে যদি জামালকে মনোয়ন দেয়া হয় তবে এর প্রতিফল আওয়ামী লীগ পাবে বলে সবাই ধারনা করছেন এলাকাবাসী।

Previous
Next

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

>
Facebook